News Ticker

Menu

Browsing "Older Posts"

Browsing Category "খাদ্যের পুষ্টিগুণ"

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যালোভেরা

/ No Comments
প্রাকৃতিক গুণসম্পন্ন ভেষজ উদ্ভিদ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর গুনের কোনো সীমা পরিসীমা নেই। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, জিংক, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, অ্যামিনো অ্যাসিড ও ভিটামিন-এ, বি৬ ও বি২ ইত্যাদি, যা স্বাস্থ্যরক্ষার বিভিন্ন কাজে লাগে।

অ্যালোভেরার গুণাগুণ;
অ্যালোভেরার ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও চিনির মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরায় মিনারেল, অ্যামিনো অ্যাসিডসহ নানা পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। যা হাড় ও মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে।

দেহে ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করলে তা অপসারণ করতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা।

অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ওষুধের কাজ করে। বিভিন্ন চর্মরোগ ও ক্ষত সারায় এটি। অনেক সময় প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় অ্যালোভেরা। অ্যালোভেরার জুস ক্লান্তি দূর করে দেহকে সতেজ করে।

নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করলে হজম শক্তি বাড়ে। পরিপাক তন্ত্রের নানা জটিলতা সারাতেও সাহায্য করে অ্যালোভেরা।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যালোভেরা। এটি দেহে সাদা ব্লাড সেল গঠন করে যা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে।

সুষম খাদ্যের পাশাপাশি নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

ওজন কমাতে অ্যালোভেরার জুস অনেক বেশি কার্যকরী। অ্যালোভেরা জুসের অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান শরীরের জমে থাকা মেদ দূর করে এবং কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ওজন কমাতে সাহায্য করে।

কমলার খোসাতেও জাদু

/ No Comments
শীতকালের আমাদের প্রায় সবারই অন্যতম পছন্দের ফল কমলা। শুধু স্বাদ নয়, স্বাস্থ্যের দিক থেকেও কমলালেবুর জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু জানেন কি, ফলটির থেকেও অনেক বেশি উপকারী এর খোসা।

কমলাতে রয়েছে নানা ভিটামিন। আর এর খোসা ভরপুর একাধিক পুষ্টিগুণে। কমলার খোসায় ভিটামিন সি, ফাইবার এবং পলিফেনল নামে এক ধরনের প্ল্যান্ট কম্পাউন্ড। এই সবই হজম ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত সহায়ক।

কমলালেবুর খোসায় থাকা পলিফেনল ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ করে এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। এছাড়া অ্যালঝাইমারের সমস্যাতেও কমলালেবুর খোসা অত্যন্ত উপকারী।

কমলার খোসা খাবেন কিভাবে?
খুব ছোট ছোট টুকরো করে অল্প অল্প করে খোসা খাওয়া যেতে পারে। কমলার খোসার ছোট টুকরো স্যালাড বা স্যুপেও মিশিয়ে নিতে পারেন। খোসা শুকিয়ে নিয়ে গুঁড়ো করে কেক, মাফিন বা ইয়োগার্টে মিশিয়ে নিতে পারেন।

তবে আমাদের শরীর কমলার খোসা খেতে অভ্যস্ত নয়। তাই প্রথমেই অনেকটা খেয়ে নিলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রয়োজনে ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করে কমলার খোসা খাওয়া শুরু করতে পারেন।

ওজন কমায় পেঁপে

/ No Comments
পেঁপে স্বাদে অতুলনীয়। পেঁপে খেলে ওজন কমে, ত্বক পরিষ্কার হয়। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আর নানা উপকারী উপাদানে ভরপুর পেঁপে খেলে একদিকে স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকে, তেমনি চুল আর ত্বকের জন্যও উপকারী। খাবারে তাই পেঁপে রাখাটা জরুরি।

ওজন কমায় পেঁপে মাঝারি আকারের একটি পেঁপেতে মাত্র ১২০ ক্যালরি থাকে। এ ছাড়া এর যে পাচক তন্তু থাকে, তা হজমে সহায়তা করে।

ডায়াবেটিসে উপকারী পেঁপে খেতে মিষ্টি স্বাদের হলেও এতে চিনির পরিমাণ কম থাকে। এক কাপ টুকরো করা পেঁপেতে ৮ দশমিক ৩ গ্রাম চিনি থাকে। ডায়াবেটিস প্রতিরোধক উপাদান আছে পেঁপেতে। চোখের জন্য দরকারি পেঁপেতে আছে ক্যারোটিনাইডস নামের উপাদান, যা চোখের জন্য উপকারী। পেঁপেতে টমেটো বা গাজরের চেয়েও বেশি ভিটামিন এ আছে। এ ছাড়া চোখের মিউকাস মেমব্রেনকে সবল করতে ও ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে যে ধরনের উপাদান দরকার, পেঁপেতে তা অধিক পরিমাণে থাকে।

ত্বকের সুরক্ষায় ভিটামিন ‘এ’ আর প্যাপিন নামের উপাদান আছে পেঁপেতে, যা শরীরের ত্বকের মৃত কোষগুলো সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। শরীরের নিষ্ক্রিয় প্রোটিন ভেঙে ফেলে এবং কম মাত্রায় সোডিয়াম ত্বককে আর্দ্র রাখে।

হজমি গুণ পেঁপেতে প্যাপিন এনজাইম থাকায় তা খাদ্যের বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। এটি মাংস নরম করতেও ব্যবহৃত হয়। এতে তন্তু ও পানির পরিমাণ বেশি থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

রোগ-ব্যাধিকে হঠাবে যে খাবার

/ No Comments
সুস্থ থাকার জন্য মানুষ কত কিছুই না করে। নিয়মিত ব্যায়াম করা, পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানো ইত্যাদি। কিন্তু অনেক সময় মানুষ ভুলে যায় সঠিক ও পরিমিত খাবারের বিষয়টি। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ড. উইলিয়াম লি জানিয়েছেন, রোগ-ব্যাধির হাত থেকে মুক্ত থাকতে সুষম খাবারই যথেষ্ট। 
 
তার মতে, প্রকৃতিতে এমন কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো নিয়ম করে খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

উইলিয়াম লি বলেন, শরীরকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি রক্তকোষের সুস্থতা নির্ভর করে সঠিক খাবারের ওপর। শরীরকে বুড়িয়ে যাওয়ার দিকে এগিয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করতে এবং রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে নির্দিষ্ট কিছু খাবার। শুধু খাবারের তালিকা পরিবর্তনের মাধ্যমেই তিনি হাজারো মানুষকে ক্যানসার ও স্মৃতিভ্রংশ রোগ ডিমেনশিয়া থেকে রক্ষা করেছেন।

নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, উদ্ভিদভিত্তিক খাদ্যতালিকা অনুসরণ করে অগ্ন্যাশয়ের সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আর সেটি সম্ভব হলেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে টাইপ-২ ডায়াবেটিস। সম্প্রতি জামা ইন্টারন্যাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এ-সংক্রান্ত একটি গবেষণার ফলাফল। উদ্ভিদভিত্তিক এই ডায়েটে থাকতে পারে ফলমূল, শাক-সবজি, গোটা শস্যদানা, মটরশুঁটি ও বাদামের মতো খাদ্য। অন্যদিকে চিনি, শ্বেতসার ও পরিশোধিত শস্য পরিহার করার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকেরা।

একইভাবে স্মৃতিভ্রংশ রোগ ডিমেনশিয়া প্রতিরোধেও বেশি বেশি শাক-সবজি ও ফলমূল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। বিশেষ করে ফলমূল যেমন—আঙুর, জাম, ডালিম, আমলকী, হলুদ, বাদাম ও ব্রাহ্মি শাক খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

আঙুরে থাকা কেভারেটল নামক একটি উপাদান মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আঙুরের রস মস্তিষ্কভিত্তিক অনেক ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়। নিয়মিত জাম খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে বেশ কিছু পুষ্টিকর উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে, যা নার্ভসেলের ক্ষত সারানোর মধ্য দিয়ে সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

ব্রাহ্মি শাকে থাকা নিউরোপ্রটেকটিভ এজেন্ট স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি হতাশা ও উদ্বিগ্নতা কমাতে দারুণ কাজ করে। এছাড়া বাদামে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি সার্বিকভাবে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায়।

ড. উইলিয়াম লি শরীরকে রোগমুক্ত রাখার জন্য শরীরের পাঁচটি প্রতিরোধব্যবস্থাকে জোরালো করার দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন। এই পাঁচটি প্রতিরোধব্যবস্থা হলো শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা, শরীরের স্টেম সেল ব্যবস্থা, আমাদের ডিএনএ ব্যবস্থা, অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া এবং রক্তনালির কার্যক্রম ব্যবস্থা। এই পাঁচটি জিনিস ঠিক রাখতে পারলে সুস্থ থাকা যায়। কিন্তু বয়স বেড়ে যাওয়া, মানসিক চাপ, খারাপ খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি কারণে এই পাঁচটি ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। তাই এই পাঁচটি ব্যবস্থাকে ঠিক রাখতে পারলেই রোগ-ব্যাধি থেকে শরীরকে অনেকাংশেই মুক্ত রাখা সম্ভব। তবে তার জন্য সবার আগে নজর দিতে হবে সুষম খাবারের দিকে।—ডেইলি মেইল

বেপরোয়া হার্টবিট নিয়ন্ত্রণ করবে কলা-কিসমিস

/ No Comments
সোজা কথায়, প্রতি মিনিটে কারো হার্ট যতবার বিটস করে, সেটাই হল তার হার্ট রেট বা পালস রেট। সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে হেলদি হার্ট রেট হলে মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বিটস। অবশ্য অ্যাথলেটদের ক্ষেত্রে প্রতি মিনিটে হার্ট রেট বা পালস রেট ৪০-এর কম হতে পারে। যেহেতু হার্টের ছন্দকে কাউন্ট করে, তাই কোনোভাবেই হার্টরেটকে হেলাফেলা করা উচিত নয়। এ থেকে হার্টে রক্তের প্রবাহের একটা আন্দাজ মেলে।

হার্টরেট বেশি হলে হার্টের অসুখের আশঙ্কা থাকেই। হতে পারে স্ট্রোকও। কিডনির বারোটা বাজাও অস্বাভাবিক নয়। সুতরাং হার্টের ছন্দকে নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

স্বাভাবিক অবস্থায় নিজের পালস ধরে কেউ যদি দেখেন জোরে ছুটছে, সাবধান না-হয়ে উপায় নেই। চিকিৎসকের পরামর্শ তো নেবেনই। সেই সঙ্গে খাদ্য তালিকায় রোজ রাখুন পাকা কলা ও কিসমিস। পুষ্টি ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই দুইটি খাবারই হার্টরেটকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। কেন কলা খাবেন: পুষ্টিগত দিক দিয়ে যদি দেখেন, পাকা কলা হল ভিটামিন বি-১২-এর অসাধারণ উৎস। সেই সঙ্গে ম্যাঙ্গানিজ, বিভিন্ন ফাইবার, ভিটামিন-সি, তামা, বায়োটিন এবং পটাসিয়ামও পাবেন। হার্টরেট কম করার ক্ষেত্রে এই সবকটি উপাদানই গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ পটাশিয়াম কম হলে, মাসল ক্যাম্প শুধু নয়, এনার্জিরও ঘাটতি হবে। যা থেকে হার্টবিটস অনিয়মিত হতে পারে। কলায় রয়েছে ৪০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। একই সঙ্গে লো সোডিয়াম। যার জন্য, হার্টকে ছন্দে রাখতে কলা খেতে হবে। এছাড়াও কলায় থাকায় ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়ামে অ্যান্টাসিড এফেক্ট থাকায় পেটের আলসারের হাত থেকে রক্ষা করে। ক্যারোটিনয়েড অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টেরও উৎস হলো কলা। রয়েছে ফাইবার পেকটিনও।

কিসমিসও সমান উপকারী কলার মতোই শুকনো আঙুর বা কিসমিসও প্রচুর পটাশিয়াম সমৃদ্ধ। ১০০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম রয়েছে। দৈনিক চাহিদার অনেকাটাই পূরণ করতে পারে। পাশাপাশি কলার মতোই কিসমিসে সোডিয়াম কম রয়েছে। হার্ট বিট নিয়ন্ত্রণে আনা ছাড়াও আরো নানা কারণে আপনি কিসমিস খেতে পারেন।

বিশেষত যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য রয়েছে। ডায়াবেটিসেও কিসমিস উপকারী। হাইপারটেনশনের রোগীরা কিসমিসে নিশ্চিত উপকার পাবেন। এছাড়াও যৌনরোগ দূর করতে, হাড়ের গঠন মজবুতে এবং চোখ ভালো রাখতে নিয়মিত কিসমিস খাওয়া ভালো।

জলপাইয়ের গুণাগুণ

/ No Comments
শীতকাল আসছে। তাই বাজারে আসতে শুরু করেছে জনপ্রিয় ফল জলপাই। শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়। নিয়মিত জলপাই খেলে পেতে পারেন এমন সব উপকারিতা যেগুলো প্রতিটি স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ চায়। নিচে জলপাইয়ের কয়েকটি উপকারি গুণ নিয়ে আলোচনা করা হলো :

ক্যান্সার প্রতিরোধে : কালো জলপাই ভিটামিনেরই ভালো উৎস। জলপাইতে আছে মনোস্যাটুরেটেড ফ্যাট। জলপাইয়ের ভিটামিন-ই কোষের অস্বাভাবিক গঠনে বাধা দেয়। ফলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমে।

হৃদযন্ত্রের উপকারিতা : যখন মানুষের হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে চর্বি জমে, তখন হার্টএ্যটাক করার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। জলপাইয়ের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হার্ট ব্লক হতে বাধা দেয়। জলপাইয়ে রয়েছে মোনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা আমাদের হার্টের জন্য খুবই উপকারী। ওজন কমাতে : যখন জলপাইয়ের মোনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট অন্য খাবারে বিদ্যমান স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বদলে গ্রহণ করা হয় তখন তা দেহের ভেতরের ফ্যাট সেলকে ভাঙতে সাহায্য করে। জলপাইয়ের তেলেও রয়েছে লো কোলেস্টেরল যা ওজন এবং ব্লাডপ্রেশার কমাতে সহায়ক।

আয়রনের উৎস : জলপাই বিশেষ করে কালো জলপাই আয়রনের উৎস, আয়রন আমাদের দেহে রক্ত চলাচল করাতে সহায়তা করে, আর প্রাকৃতিক আয়রনের উৎসের জন্য জলপাই-ই সেরা।

অ্যালার্জি প্রতিরোধে : গবেষণায় দেখা গেছে, জলপাই অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়তা করে। জলপাইয়ে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা ত্বকের ইনফেকশন ও অন্যান্য ক্ষত সারাতে কার্যকরী ভুমিকা রাখে।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে : জল পাইয়ে যে খাদ্যআঁশ আছে তা মানুষের দেহের পরিপাক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং হজমে সহায়তা করে।

ত্বক ও চুলের যত্নে : কালো জলপাইয়ের তেল আছে ফ্যাটি এসিড ও এ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা কিনা ত্বক ও চুলের যত্নে কাজ করে। জলপাইয়ের ভিটামিন ই ত্বকে মসৃনতা আনে। চুলের গঠনকে আরও মজবুত করে। ত্বকের ক্যানসারের হাত থেকেও বাঁচায় জলপাই।

আনারস খাওয়ার ৭ উপকারিতা

/ No Comments
মৌসুমী ফলের নানা গুণ। আর সেটা যদি হয় আনারস তাহলে তো কথাই নেই। অসংখ্য গুণে গুনান্বিত এই ফলে খেয়ে যেমন শরীরে পানির চাহিদা মেটানো যায় তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পেতে জুড়ি নেই এর। এই গরমে তাই খাদ্য তালিকায় যুক্ত হোক আনারস। জেনে নিই আনারসের ৭টি উপকারিতা-

পুষ্টির অভাব দূর করে: আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে: শুনতে অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার এবং অনেক কম ফ্যাট রয়েছে। সকালে আনারস বা সালাদ হিসেবে এর ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। হাড় গঠনে: আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমাণ আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

দাঁত ও মাড়ি সুরক্ষায়: আনারসের ক্যালসিয়াম দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করে। মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধান করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন আনারস খেলে দাঁতে জীবাণুর আক্রমণ কম হয় এবং দাঁত ঠিক থাকে।

চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায়: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, আনারস ম্যাক্যুলার ডিগ্রেডেশন হওয়া থেকে আমাদের রক্ষা করে। এ রোগটি আমাদের চোখের রেটিনা নষ্ট করে দেয় এবং আমরা ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে যাই। আনারসে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন। প্রতিদিন আনারস খেলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এতে সুস্থ থাকে আমাদের চোখ।

হজমশক্তি বাড়ায়: আনারস আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকরী। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, যা আমাদের হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন আনারস খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

রক্ত জমাটে বাধা দেয়: দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্তবাহী নালি) দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত যেতে পারে। হৃদপিণ্ড আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে। আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপিণ্ডকে কাজ করতে সাহায্য করে।

দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে গাজর

/ No Comments
গাজর আপনাকে দিতে পারবে ভিটামিন ছাড়াও নানা উপকার। এটি আপনাকে উপহার দেবে সুন্দর ত্বক থেকে শুরু করে ক্যান্সারের থেকে সুরক্ষাও। আসুন জেনে নেই একটি গাজর থেকে আপনি কি কি উপকার পাচ্ছেন।
গাজর খেলে বৃদ্ধি পাবে আপনার দৃষ্টিশক্তি। এতে আছে বেটা ক্যারোটিন যা আমাদের লিভারে গিয়ে ভিটামিন এ তে বদলে যায়। যা পরে চোখের রেটিনায় গিয়ে পৌছিয়ে চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। সেই সাথে রাতের বেলায় অন্ধকারেও চোখের ভাল দেখার জন্য দরকারি এমন এক ধরনের বেগুনি পিগ্মেন্ট এর সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়ে দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে গাজর।

গাজর যারা খান তাদের ক্যান্সারের ঝুকি কম থাকে। গাজরে আছে falcarinol এবং falcarindiol যা আমাদের শরীরে এন্টিকান্সার উপাদানগুলোকে রিফিল করে। তাই গাজর খেলে ব্রেস্ট, কোলন, ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার ঝুকি কম থাকে। গাজর শুধু শরীরের জন্য ভাল তাই নয় এটি আমাদের জন্য এন্টি এজিং উপাদান হিসেবেও কাজ করে। এতে যে বেটা ক্যারোটিন আছে তা আমাদের শরীরের ভেতরে গিয়ে এন্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে আমাদের শরীরের ক্ষয়প্রাপ্ত সেলগুলোকে ঠিকঠাক করে যা সাধারন মেটাবোলিজমের কারনে হয়ে থাকে। এছাড়াও এটি এজিং সেলগুলোর গতি ধীর করে দিতে সাহায্য করে, ফলে আপনি ধরে রাখতে পারবেন আপনার যৌবনকে অধিক সময়ের জন্য।

সুন্দর ত্বকের জন্যও গাজর খেতে পারেন। এটা আপনার ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলতে সাহায্য করবে। এর ভিটামিন এ ও এন্টিওক্সিডেন্ট আপনার ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দুর করবে। সেই সাথে ভিটামিন এ ত্বকের অযাচিত ভাঁজ পড়া, কালো দাগ, ব্রন, ত্বকের রঙের অসামাঞ্জসসতা ইত্যাদি দূর করে আপনাকে সুন্দর হয়ে উঠতে সাহায্য করবে।

হৃৎপিণ্ডের নানা অসুখে এটি খুব ভাল কাজ করে। এর ক্যারোটিনয়েডগুলো হৃৎপিণ্ডের নানা অসুখের ওষুধ হিসেবে কাজ করে। যেসব খাবারে যেমন গাজরে উচ্চমাত্রাই এই উপাদান পাওয়া যায় সেসব খেলে হৃৎপিণ্ডের রোগের ঝুকি অনেক কমে আসে।

সুন্দর ও সুস্থ সবল দাঁত চান? তবে এখনি গাজর খাওয়া শুরু করুন। গাজর আপনার দাঁত ও মুখ গহ্বর পরিষ্কার রাখে। গাজর মুখের প্ল্যাক ও খাবারের উপাদান মুখ থেকে দূর করে টুথ পেস্ট ও টুথ ব্রাশের মতই। এছাড়াও গাজরের মিনারেলগুলো দাঁত মজবুত থাকতে সাহায্য করে অনেকাংশেই।

ক্যান্সার প্রতিরোধ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় রসুন

/ No Comments
খাবারের তালিকায় রসুন রাখলে আপনি বেঁচে যেতে পারেন নানারকম অসুখের হাত থেকে। গবেষণায় দেখা গেছে, একটি মাঝারি সাইজের রসুনে এক লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা রয়েছে। শুধু তাই নয়, ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি অ্যামিবিক ডিসেনট্রি নির্মূলের ক্ষেত্রে রসুন বেশ কার্যকরী।

চলুন জেনে নিই, রসুনের কিছু উপকারিতা-

যারা উচ্চরক্তচাপে ভুগছেন তারা রসুন খেতে পারেন। উপকার পাবেন। রক্তে কোলেস্টেরল স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে কাঁচা রসুন চিবিয়ে খান।

সর্দি কাশিতেও রসুন উপকারী।

শরীরের ব্যথা কমায় রসুন। রসুন হচ্ছে ন্যাচারাল পেইন কিলার। শিশু কিংবা বড়দের দাঁতে ব্যথা হলে একে কোষ রসুন চিবালে দাঁতে ব্যথা উপশম হবে।

রসুন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক রসুন।

নিয়মিত রসুন খেলে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসজনিত রোগের ঝুঁকি কমে যায়।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা দূর করে কাঁচা পেঁপে

/ No Comments

পেঁপে পাকা খেতে যেমন সুস্বাধু তেমনি বিভিন্ন রেসিপিতেও কাঁচা পেঁপের বেশ কদর রয়েছে। কাঁচা পেঁপেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন। বিভিন্ন রকম অসুখ সারাতে কাঁচা পেঁপে খুবই উপকারি। পেটের নানা রোগবালাই দূরীকরণে কাঁচা পেঁপে খুবই কার্যকরী। শুধু পেটের সমস্যায় নয়, আরও অনেক নানাবিধ স্বাস্থ্য সমস্যায় এই ফলের উপকারিতা অনেক।

অন্যান্য ফলের তুলনায় পেঁপেতে ক্যারোটিন অনেক বেশি থাকে। কিন্তু ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম থাকায় যারা মেদ সমস্যায় ভুগছেন তারা অনায়াসে খেতে পারেন এ ফলটি। নিচে পেঁপের নানাবিধ পুষ্টিগুণের কথা তুলে ধরা হল-

অন্ত্রের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে : পেঁপের বীজে আছে এন্টি- অ্যামোবিক ও এন্টি-প্যারাসিটিক বৈশিষ্ট্য যা অন্ত্রের চলাচলকে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি এটি বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, এসিড রিফ্লাক্স, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, অন্ত্রের সমস্যা, পেটের আলসার ও গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকেও রক্ষা করে।

ত্বকের সমস্যা ও ক্ষত দূর করে : পেঁপেতে বিদ্যমান পুষ্টিগুণ ব্রণ ও ত্বকের যে কোন ধরনের সংক্রামক থেকে রক্ষা করে। এমনকি এটি ত্বকের ছিদ্র মুখগুলো খুলে দেয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটি ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কাঁচা পেঁপে ত্বকের মরা কোষগুলোকে পুনজ্জ্বীবিত করে তুলতে সাহায্য করে।

ব্যথা নিরাময় করে : পেঁপের পুষ্টিগুণ মেয়েদের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকারী। কারণ এটি মহিলাদের যে কোনো ধরনের ব্যথা কমাতে কার্যকারী ভূমিকা রাখে। পেঁপের পাতা, তেঁতুল ও লবণ একসাথে মিশিয়ে পানি দিয়ে খেলে ব্যথা একেবারে ভালো হয়ে যায়।

হৃদরোগের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় : এটি ব্লাড প্রেসার ঠিক রাখার পাশাপাশি রক্তের প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি শরীরের ভেতরের ক্ষতিকর সোডিয়ামের পরিমাণকেও কমিয়ে দেয়। ফলে হৃদরোগের সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। একারণেই হৃদরোগীদের সবসময় পেঁপে খেতে বলা হয়।

অতিরিক্ত ক্যালরি ও চর্বি কমিয়ে দেয় : পেঁপেতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ই ও এ। এগুলো ১০০ গ্রামে মাত্র ৩৯ ক্যালোরি দেয়। এছাড়া এতে বিদ্যমান এন্টি-অক্সিডেন্ট অতিরিক্ত ক্যালরি ও চর্বির পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

কলার খোসার কিছু বিস্ময়কর ব্যবহার

/ No Comments

কলা খাবার পর এর খোসাটি কী করেন? নিশ্চই ফেলে দেন। কিন্তু এই কলার খোসারই আছে অভাবনীয় কিছু ব্যবহার। এতে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, মিনারেল এবং ভিটামিনসহ আরও অনেক পুষ্টি উপাদান। যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নানা কাজে আসে। জেনে নেই, কলার খোসার সেই বিস্ময়কর ব্যবহারগুলো।

১। জুতো পলিশ

জুতো চকচকে করতে কলার খোসা ব্যবহার হয়। কলার খোসার ভিতরের নরম অংশ জুতোর উপর কিছুক্ষণ ঘষুন। তারপর একটি নরম কাপড় দিয়ে জুতো মুছে ফেলুন। কলার প্রাকৃতিক অয়েল লেদার চকচক করতে সাহায্য করে।

২। রুপার উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে

কিছু কলার খোসা এবং পানি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি রুপার জিনিসের উপর ঘষুন। কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। একটি শুকনো পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।

৩। দাঁত সাদা করতে

হলদেটে দাঁত নিয়ে বিড়ম্বনার শেষ নেই। একটি কলার খোসার নরম অংশটি দিয়ে দাঁতের উপর কিছুক্ষণ ঘষুন। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন। এভাবে একমাস ব্যবহার করুন। দেখবেন দাঁত অনেকটা সাদা হয়ে গেছে।

৪। ব্যথা প্রশমিত করতে

ব্যথার স্থানে সরাসরি কলার খোসা লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট। ৩০ মিনিট পর খোসাটি সরিয়ে ফেলুন। দেখবেন ব্যথা কিছুটা কমে গেছে। এছাড়া ভেজিটেবিল অয়েল এবং কলার খোসা একসাথে ব্যবহার করতে পারেন। এটিও ব্যথা কমিয়ে দেবে।

৫। ব্রণ রোধ করতে

ব্রণের উপর কলার খোসার নরম অংশটি ম্যাসাজ করুন। এটি প্রতিদিন ৫ মিনিট করুন। এক সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল দেখতে পারবেন। ব্রণ ভালো না হওয়া পর্যন্ত এটি ব্যবহার করুন।

৬। ব্যথার কালো দাগ

ব্যথায় কালো হয়ে যাওয়ার দাগ দূর করতে কলার খোসা বেশ কার্যকর। কালো দাগের স্থানে কলার খোসা কিছুক্ষণ ঘষুন অথবা দাগের স্থানে কলার খোসা দিয়ে পেঁচিয়ে রাখুন। এটি সারারাত রাখুন।

৭। রিংকেল হ্রাস করতে

একটি ডিমের সাদা অংশ এবং একটি কলা খোসার ভিতরের অংশ একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি ত্বকে ব্যবহার করুন ৫ মিনিট। তারপর পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। কলার খোসা ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।

হজমশক্তি বাড়ায় আমড়া

/ No Comments

আমড়ায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম আর আঁঁশ আছে, যেগুলো শরীরের জন্য খুব দরকারি। হজমেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই তেল ও চর্বিযুক্ত খাদ্য খাওয়ার পর আমড়া খেয়ে নিতে পারেন; হজমে সহায়ক হবে। আমড়ায় প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় এটি খেলে স্কার্ভি রোগ এড়ানো যায়। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাল ইনফেকশনের বিরুদ্ধেও লড়তে পারে আমড়া। অসুস্থ ব্যক্তিদের মুখের স্বাদ ফিরিয়ে দেয়।

সর্দি-কাশি-জ্বরের উপশমেও আমড়া অত্যন্ত উপকারী। শিশুর দৈহিক গঠনে ক্যালসিয়াম খুব দরকারি। ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস এই আমড়া। শিশুদের এই ফল খেতে উৎসাহিত করতে পারেন। এছাড়া এটি রক্তস্বল্পতাও দূর করে। কিছু ভেষজ গুণ আছে আমড়ায়। এটি পিত্তনাশক ও কফনাশক। আমড়া খেলে মুখে রুচি ফেরে, ক্ষুধা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।

আমড়ায় থাকা ভিটামিন সি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। খাদ্যে থাকা ভিটামিন এ এবং ই এটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাত থেকে রক্ষা করে। দাঁতের মাড়ি শক্ত করে, দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত, পুঁজ, রক্তরস বের হওয়া প্রতিরোধ করে আমড়া। এর ভেতরের অংশের চেয়ে বাইরের খোসাতে রয়েছে বেশি ভিটামিন সি আর ফাইবার বা আঁশ, যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে দ্বিগুণ শক্তিশালী। আর আঁশজাতীয় খাবার পাকস্থলী (স্টমাক), ক্ষুদ্রান্ত, গাছহদন্ত্রের (পেটের ভেতরের অংশবিশেষ) জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে কামরাঙা

/ No Comments

দেশি ফলের মধ্যে কামরাঙা অন্যতম। অন্যান্য ফলের তুলনায় এর দামও কম। পুষ্টি জোগায়, নানা রোগ প্রতিরোধে কাজ করে। তাই সাধারণ একটি ফলেই হতে পারে মুশকিল আসান। ভেজাল, দূষণ, অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের কারণে শরীরের দফা রফা। ঠিক এই পরিস্থিতিতে মুশকিল আসান হতে পারে একটি ফল।

চিকিৎসকরা বলছেন, ভিটামিন বি নাইন ফলিক অ্যাসিডে ভরপুর কামরাঙা। যা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। ভিটামিন সি-এর পরিমাণ আম, আঙুর, আনারসের চেয়ে বেশি। কামরাঙায় আয়রনের পরিমাণ পাকা কাঁঠাল, কমলালেবু, পাকা পেঁপে, লিচু, ডাবের পানির চেয়েও বেশি।

কামরাঙা দিয়ে তৈরি চাটনি, জ্যাম, জেলি দিব্যি লাগে খেতে। ভিটামিন বি ফাইভ ও ভিটামিন বি সিক্স প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কামরাঙায়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, কোলেস্টেরল কম করা এবং হাইপারটেনশন দূর করতে কামরাঙার জুড়ি মেলা ভার। শুধু কামরাঙা ফলই নয়, কামরাঙা গাছের পাতাও খুবই উপকারি।

এতে রয়েছে এলাজিক অ্যাসিড, যা খাদ্যনালির ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এর পাতা ও কচি ফলের রসে রয়েছে ট্যানিন, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। সর্দিকাশিতে দারুণ উপকারি। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। কামরাঙা চুল, ত্বক, নখ ও দাঁত উজ্জ্বল করে। মুখে ব্রন হওয়া আটকায়।

কামরাঙা কোনোভাবেই খালি পেটে খাওয়া চলবে না। ডায়ারিয়া হলে কামরাঙা খাওয়া চলবে না। কামরাঙা একটি অক্সালেট সমৃদ্ধ ভিটামিন সি জাতীয় ফল। সে কারণে যাদের কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাদের কামরাঙা খেতে নিষেধ করছেন।

রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে কাজ করে আমড়া

/ No Comments

আমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ক্যারোটিন, কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। এক কথায় আমড়া পুষ্টিগুণে ভরপুর। জেনে নিন আমড়ার গুণাগুণ-
আমড়া রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে স্ট্রোক ও হৃদরোগের হাত থেকে রক্ষা করে। ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে এবং শরীরের পেশী গঠনে সহায়তা করে।

এ ফলটিতে বিদ্যমান পেকটিন জাতীয় ফাইবার বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সারসহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ করে শরীরকে সুস্থ রাখে।

আমড়া ত্বক, নখ ও চুল সুন্দর রাখতে সহায়তা করে। বিশেষ করে ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। আমড়াতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় শরীরের রক্তের চাহিদা পূরণ হয় এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সহয়তা করে।

আমড়া খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হয় এবং ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে ঠাণ্ডা, কাশি ও কফ দূর করে এ ফলটি।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পেয়ারা

/ No Comments

দেশী ফলগুলোর মধ্যে পেয়ারা বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি ফল। সাধারণ এবং সহজলভ্য এই ফলটির পুষ্টিগুণ অনেক। শুধু ফল নয়, পেয়ারা পাতায়ও রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ।

পেয়ারার পুষ্টিগুণ:

পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ। একটি পেয়ারাতে ৪ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে একটি মাঝারি আকৃতির কমলা থেকে। ১০ গুণ বেশি ভিটামিন এ রয়েছে লেবুর তুলনায়। এছাড়া ভিটামিন বি২, ই, কে, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, কপার, আয়রন, ফসফরাস এবং পটাসিয়াম রয়েছে। উপকারিতা:

১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি

পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি রয়েছে। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শরীরকে বিভিন্ন রোগের সাথে যুদ্ধ করার শক্তি প্রদান করে।

২। ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস

পেয়ারাতে লাইকোপিন, ভিটামিন সি, কোয়ারসেটিন এর মত অনেকগুলো অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা শরীরের ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধ করে। এটি প্রোসটেট ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৩। হার্ট সুস্থ রাখতে

১৯৯৩ সালে “Journal of Human Hypertension” এ প্রকাশিত হয় যে নিয়মিত পেয়ারা খেলে রক্ত চাপ ও রক্তের লিপিড কমে। পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম, ভিটামিন সি রয়েছে। পটাশিয়াম নিয়মিত হৃদস্পন্দনের এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ভাবে লাইকোপিন সমৃদ্ধ গোলাপি পেয়ারা খেলে কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকি কমায়।

৪। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে

চাইনিজ চিকিৎসা শাস্ত্ররে অনেক বছর ধরে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে পেয়ারা ব্যবহার হয়ে আসছে। ১৯৮৩ সালে American Journal of Chinese Medicine প্রকাশ করেন যে, পেয়ারার রসে থাকা উপাদান ডায়াবেটিস মেলাইটাসের চিকিৎসায় খুবই কার্যকর। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে পেয়ারা পাতাও বেশ কার্যকর। কচি পেয়ারা পাতা শুকিয়ে মিহি গুঁড়ো করে ১ কাপ গরম পানিতে ১ চা চামচ দিয়ে ৫ মিনিট ঢেকে রেখে তারপর ছেঁকে নিয়ে পান করতে পারেন প্রতিদিন।

৫। ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে

বিভিন্ন ঠান্ডাজনিত সমস্যা যেমন ব্রংকাইটিস সারিয়ে তুলতে ভূমিকা রাখে পেয়ারা। উচ্চ পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন সি থাকায় এটি শ্লেষ্মা কমিয়ে দেয়। তবে কাঁচা পেয়ারা ঠান্ডা জনিত সমস্যা দূর করতে কার্যকর।

৬। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে

পেয়ারা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পটাশিয়াম রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৭। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে

ভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন এ কর্নিয়াকে সুস্থ রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় পেয়ারা রাখুন। কাঁচা পেয়ারা ভিটামিন এ এর ভাল উৎস।

কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করে আমলকি

/ No Comments

আমলকি। ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল।এর ফল ও পাতা দুটিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হয়।

আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলালেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।

চলুন জেনে নিই আমলকি খাওয়ার ১০টি উপকারিতা সম্পর্কে-

১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

২. আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে। ৩. এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

৪. আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।

৫. প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৬. আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৭. প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

৮. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।

৯. শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

১০. ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

ফল বা সবজির খোসার কী গুণাগুণ?

/ No Comments

আপেল, কলা, শসা, বেগুন, লাউ, কুমড়া- এই স্বাস্থ্যকর ফল বা সবজিগুলির পুষ্টিগুণ সম্পর্কে মোটামুটি আমরা প্রায় সকলেই জানি। কিন্তু জানেন কি, এই স্বাস্থ্যকর ফল বা সবজিগুলির খোসাও খুবই উপকারী। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে আসুন জেনে নেওয়া যাক, কোন সব ফল বা সবজির খোসার কী গুণাগুণ-

১) আলুর খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আর পটাসিয়াম। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন বি, সি এবং প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান।

২) শসার খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান, পটাসিয়াম আর ভিটামিন-কে! ৩) লাউ বা কুমড়ার খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক যা ত্বককে সতেজ রাখে। বাড়ায় ত্বকের উজ্জ্বলতাও!

৪) আপেলের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পেকটিন। এই পেকটিন হল এক ধরনের ফাইবার যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে পেকটিন রক্তে সুগার আর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে।

৫) বেগুনের খোসায় রয়েছে ‘নাসুনিন’ নামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা অ্যান্টি-এজিং-এ সহায়ক। এ ছাড়াও বেগুনের খোসা ত্বককে সতেজ রেখে উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

৬) কলার খোসায় রয়েছে লুটেন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে। কলার খোসায় থাকা ট্রিপটোফ্যান শরীরে সেরোটনিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। আর এই সেরোটনিন মন মেজাজ ভাল রাখতে সাহায্য করে।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করে এলাচ

/ No Comments

সুস্বাদু খাবার তৈরিতে এলাচ একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মশলা। রান্নার পাশাপাশি পানের স্বাদ বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে এলাচ। এলাচের রয়েছে নানা ভেষজও গুণ যা শরীরে নানা সমস্যা দূর করে থাকে। এলাচের স্বাস্থ্যগুণ;


হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে
২ বা ৩টি এলাচ, ১টি ছোট আদার টুকরো, ২-৩ টি লং এবং কয়েকটি ধনিয়া একসাথে গুঁড়ো করে নিন। এটি গরম পানিতে মিশিয়ে পান করুন। এটি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে গ্যাস, বমি বমি ভাব দূর করে থাকে।

মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে
খাবার খাওয়ার পর এক টুকরো এলাচ কিছুক্ষণ চিবিয়ে নিন। অথবা এলাচ চা পান করুন প্রতি দিন সকালে। এটি আপনার পাচনতন্ত্র শক্তিশালী করে তোলে। এর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান মুখের দুর্গন্ধ দূর করে থাকে।

হেচঁকি দূর করতে
আপনি যদি ঘন ঘন হেঁচকি সমস্যায় ভুগে থাকেন, তবে এলাচি খাওয়া শুরু করুন। এটি আপনার পেশি রিল্যাক্স করে হেঁচকি দূর করে থাকে।

ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর
এলাচি একটি ভেষজ উপাদান। এটি শরীরে অভ্যন্তরীণ ফাঙ্গাস, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া দূর করে শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

রক্তস্বল্পতা দূর করতে
এক বা দুই চিমটি এলাচ গুঁড়ো এবং হলুদ গুঁড়ো এক গ্লাস গরম দুধের সাথে মিশিয়ে নিন। এরসাথে অল্প পরিমাণে চিনি মিশিয়ে নিতে পারেন। প্রতি রাতে এটি পান করুন। এটি রক্তস্বল্পতা দূর করে দুর্বলতা দূর করে থাকে। এলাচে রিবোফ্লাবিন, ভিটামিন সি, নিয়াচিন আয়রন, কপার রক্ত স্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।

অ্যাসিডিটি দূর করতে
সমপরিমাণে এলাচ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, মৌরি একটি প্যানে ভেঁজে গুঁড়ো করে নিন। এক কাপ গরম পানিতে আধা চা চামচ এই গুঁড়ো মিশিয়ে নিন এবং পান করুন। এটি অ্যাসিডিটি , পেটের গ্যাস এবং পেট ফাঁপা রোধ করে থাকে। বাচ্চাদের গ্যাসের সমস্যা দূর করে থাকে এই পানীয়।

আমের আঁটির ৫ আশ্চর্য স্বাস্থ্যগুণ

/ No Comments

আম খেতে ভালবাসেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। কাঁচা হোক বা পাকা, আম সকলেই খান, কিন্তু ফেলে দেওয়া আমের আঁটি। সেটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু জানেন কি, আমের আঁটিও স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর!


আসুন এবার আমের আঁটির অজানা স্বাস্থ্যগুণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। প্রথমে আমের আঁটি শুকিয়ে ভাল করে গুঁড়ো করে নিন। এবার জেনে নিন আমের আঁটির গুঁড়োর আশ্চর্য ৫টি আশ্চর্য স্বাস্থ্যগুণ- 

১) খুশকির সমস্যায় ২-৩ চামচ সরিষার তেলের সঙ্গে এক চিমটি আমের আঁটির গুঁড়া মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ভাল করে মালিশ করুন। এতে চুল হবে উজ্জ্বল আর দূর হবে খুশকির সমস্যা।

২) শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বকের পরিচর্যায় সরিষার তেলের সঙ্গে আমের আঁটির গুঁড়া মিশিয়ে দিনে অন্তত একবার মালিশ করে দেখুন। রুক্ষ ভাব কেটে গিয়ে ত্বক হয়ে উঠবে কোমল, স্বাস্থ্যোজ্জ্বল। 

৩) ঝকঝকে দাঁত আর সুস্থ মাড়ি পেতে চান? আমের আঁটির গুঁড়া মাজনের মতো ব্যবহার করে দেখুন। উপকার পাবেন।

৪) পিঁপড়া, মৌমাছি কামড়ালে মারাত্মক জ্বালা-যন্ত্রণা করে। আক্রান্ত স্থানে আমের রস বা আমের আঁটির গুঁড়া লাগালে সাময়িক ভাবে ব্যথার বোধ দ্রুত কমে যায়।
৫) যে কোনো খাবারের সঙ্গে আমের আঁটির গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারলে উচ্চ কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা বা ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

চিরতার পানি পানের উপকারিতা

/ No Comments

চিরতার স্বাদ তেতো হলেও এই ফলটির রয়েছে নানান গুণ। চিরতার পাতলা ডালপালা ধুয়ে পরিষ্কার করে গ্লাস বা বাটিতে পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে ওই পানি খেতে অনেক উপকার পাওয়া যায়।


ইউনানী চিকিৎসা অনুযায়ী চিরতা হৃৎপিণ্ড ও যকৃতের সবলকারক, চোখের জ্যোতিবর্ধক ও জ্বর রোগে বিশেষ উপকারী এই চিরতা। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে চিরতার উপকারিতা ও গুণাগুণ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হল- 

১। শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

২। নিয়মিত তিতা খাবার খেলে অসুখ হওয়ার প্রবণতা কম থাকে। চিরতা এর মধ্যে অন্যতম।

৩। চিরতা খেলে যেকোনো কাটা, ছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত শুকায়।

৪। ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য চিরতা ভীষণ জরুরি পথ্য। চিরতার রস দ্রুত রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে দেয়।

৫। উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, উচ্চরক্তচাপ, অতি ওজনবিশিষ্ট ব্যক্তির জন্যও চিরতা দরকারি।

৬। টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর আবারও অনেকের প্যারাটাইফয়েড জ্বর হয়। 
তাই টাইফয়েড জ্বরের পরে চিরতার রস খেলে যথেষ্ট উপকার পাওয়া যায়।

৭। চিরতার রস কৃমিনাশক।

৮। তারুণ্য ধরে রাখতেও চিরতার গুরুত্ব অপরিসীম।

৯। শরীরের ঝিমুনিভাব, জ্বরজ্বর লাগা দূর করে চিরতার রস।

১০। নিয়মিত তিতা বা চিরতার রস খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।
১১। চিরতা রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে।

১২। যাদের ডায়াবেটিস নেই কিন্তু রক্তে চিনির পরিমাণ সবসময় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে, তাদের জন্য চিরতা গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।