News Ticker

Menu

Browsing "Older Posts"

Browsing Category "সৌন্দর্য চর্চা"

খুশকি সমস্যার সমাধান

/ No Comments
কেন হয় খুশকি :

অনেকেই ভাবেন শীতকালেই চুলে খুশকি হয়। তাই খুশকি নিয়ে ও অনেকের ভাবনা শেষ নেই। এই ভাবনা একদম ঠিক নয়। শুধু শীতের রুক্ষতাই নয়, অযত্নে-অবহেলাতেও চুলে খুশকি হয়। এ ছাড়া ধুলাবালিও এর কারণ। শরীরে প্রয়োজনীয় জলের অভাব পূরন না হলেও খুশকি হয়। খুশকির আরো কারন পেট পরিস্কার না থাকা।


সতর্কতা :

খুশকি মুক্ত চুলের জন্য নিয়মিত পরিচর্যা প্রয়োজন। চুল পরিস্কার রাখুন। একই সঙ্গে চিরুনি, ব্রাশ, তোয়ালে, বালিশের কাভার, বিছানার চাদর-এগুলো পরিস্কার রাখুন। কখনোই অন্যের এ জিনিসগুলো ব্যবহার করবেন না। নিজেরটাও করতে দেবেন না।

মাসে একবার পার্লারে গিয়ে হেয়ার ট্রিটমেন্ট করান কিংবা হেয়ার স্পা করুন। দিনে আট গ্লাস জল খান।

এক দিন পর পর শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। ধুলাবালি থেকে চুল বাঁচিয়ে চলুন। যা করা উচিত :



এখন শীতকাল।

এ সময় মাথার ত্বক শুস্ক হয়ে যায়। ফলে দেখা দেয় চুলের নানান সমস্যা। অনেকেই ভালো করে চুল পরিস্কার করেন না। যার কারনে খুশকি মাথায় জমে।

খুশকি দূর করতে হেয়ার ট্রিটমেন্ট করাটা জরুরি। এটি আপনি বাসায় বা পার্লারে গিয়েও করতে পারেন। কারণ বাড়িতে করলে অনেক ঝাক্কি-ঝামেলা থেকে রেহাই পাবেন। ট্রিটমেন্ট করার কিছু টিপস :

১. প্রথম কুসুম গরম তেল (সেটা নারিকেলও হতে পারে) এ তুলো ডুবিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন।

২. চুলের প্রত্যেকটি গোড়ায় ভালোমতো তেল ম্যাসাজ করা হয়ে গেলে হালকা গরম জলেতোয়ালে চুবিয়ে মাথায় ১০ মিনিট গরম ভাবটা নিতে হবে। এভাবে দুইবার ভাব নেবার পর ধীরে ধীরে ভালোমতো চুল আচড়াতে হবে।

৩. গরেম ভাপের কারণে মাথার ত্বকের খুশকি নরম হয়ে যাওয়ায় খুশকি ঝরে পড়বে।

৪. এরপর ভালো মানের একটা অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু দিয়ে মাথাটা ভালো করে ধুয়ে নিন।

৫.শ্যাম্পু করার পর আপনার চুল সর্ম্পূন রুপে পরিস্কার করুন।হেয়ার ড্রায়ার ব্যাবহার না করে ফ্যানের বাতাসে চুল শুকিয়ে নিন।

খুশকি থেকে রেহাই পেতে :
চুলে খুশকি পড়লে বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান থেকেও সমাধান নিতে পারেন।যেমন

মেথি :

২/৩ টেবিল চামচ মেথি সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খুব ভালো ভাবে পিষে নিবেন । তার পর এর সাথে এক টেবিল চামচ টক দই ও ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মাথায় লাগিয়ে রাখুন৩০/৩৫ মিনিট । পরে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে শ্যাম্পু করুন ।

সপ্তাহে একবার করে করুন ।

লেবু এবং রসুন :

এক টেবিল চামচ লেবুর রসের সাথে দুই টেবিল চামচ রসুন পেস্ট মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। এই প্যাক ফ্লেক থেকে আমাদের দূরে রাখে।

রসুন প্রাকৃতিক অ্যান্টি-বায়োটিক যা স্কাল্পের চারপাশে থাকা ব্যাকটেরিয়ার বংশ ধংস করে । এই অ্যান্টিডেনড্রাফ ট্রিটমেন্ট চুলে ২০-৩০ মিনিট লাগিয়ে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন।

পেঁয়াজের রস :

আমরা সবাই জানি পেয়াজের রস চুল গজাতে সাহায্য করে। এর আরেকটি গুনের দিক হল খুশকি সারাতেও কিন্তু উপকারী। পেঁয়াজের পেস্ট মাথার তালুতে লাগিয়ে ১ ঘন্টা অপেক্ষা করুন, পেঁয়াজের ঝাঁঝলো গন্ধ যদি আপনার জন্য অস্বস্তিকর হয় তাহয়ে কয়েক ফোটা লেবুর রসও মিশিয়ে নিতে পারেন।

ব্রণ প্রতিরোধের কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি

/ No Comments
মধু আর দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পিম্পলে লাগান এবং সকালে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পরপর দুই সপ্তাহ এই পেস্ট পিম্পলে লাগান,

পিম্পল আর থাকবে না।

১০০ গ্রাম আলু চটকে নিয়ে ৫ফোঁটা গ্লিসারিন, ৫ মিলি গোলাপজল মিশিয়ে একটা প্যাক তৈরি করুন।গোসলের আগে মুখে এই প্যাকটি লাগান এবং ২০ মিনিট লাগিয়ে রাখুন।

১০ মিলি গ্লিসারিন, ১০ মিলি গোলাপজল এবং ৫মিলি লেবুর রস মিশিয়ে একটি প্যাক তৈরি করুন। মুখের যে জায়গায় প্রয়োজন সেখানে গোসলের এক ঘণ্টা আগে প্যাকটি লাগান এবং ম্যাসেজ করুন আলতোভাবে।

পেঁপের রস পিম্পলের জন্য খুবই উপকারী। পিম্পলের উপর পেঁপের রস লাগালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

রসুন পিম্পলের জন্য খুবই উপকারী। রসুনের আটটি কোষ ভালোভাবে পেস্ট করে নিয়ে চোখের অংশটা বাদ দিয়ে মুখে লাগান। পনের মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন এবং পরে গরম কাপড় দিয়ে এটা মুখ থেকে ধুয়ে ফেলতে হবে।

আপেল কুঁচি কুঁচি করে কেটে নিয়ে মধুর সাথে মিশিয়ে মুখে লাগালে দারুণ কাজে আসে। মুখে ১৫-২০ মিনিট এই প্যাকটি লাগিয়ে রাখতে হবে।তারপর হাল্কা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

পিম্পল চলে যাওয়ার পরমুখে যে দাগ থেকে যায় সেখানে চালের গুঁড়া, দই, এক চিমটি হলুদ মিশিয়ে পেস্টকরে লাগান। হাল্কাভাবে ঘষুন এবং ১০ মিনিট পর ধীরে ধীরে এই প্যাকটি মুখ থেকে উঠিয়ে ফেলুন।

মেথি ভালো করে পেস্ট করে নিয়ে প্রতি রাতে মুখে লাগান এবং ১০-১৫ মিনিট রাখুন। কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে যে কোনো ধরণের দাগ, পিম্পল, ব্ল্যাকহেড,বলিরেখা ইত্যাদি থেকে দূরে রাখে।

পুঁদিনা পাতার রস প্রতি রাতে মুখে লাগান।এতে মুখের যে কোনো দাগ এবং পিম্পলের দাগ দূর হবে। সব কিছুর পরেও হাতকে মুখ থেকে দূরে রাখুন। এতে আপনার ত্বকের কোনোই লাভ হবে না।আপনার যদি খুশকির সমস্যা কিংবা তৈলাক্ত ত্বক থাকে তাহলে এগুলোকে পরিষ্কার রাখুন। যদি আপনার তৈলাক্ত চুল মুখে লাগে তা হলে এটি আরো বেশি তৈলাক্ত হয় এবং খুশকি পিম্পলের সৃষ্টি করে নিশ্চিতভাবেই।দিনে অন্তত তিনবার মুখ ভালো কোনো ক্লিনজার দিয়ে পরিষ্কার করুন। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।ফলমূল,শাকসবজি বেশি করে খাবার চেষ্টা করুন। রিল্যাক্স থাকুন এবং দিনে অন্তত আট ঘণ্টা ঘুমান।

চুল ঘন ও কালো করার ঘরোয়া উপায়

/ No Comments
আবহাওয়া এবং আমাদের যত্নআত্তির ত্রু টির কারণে চুলের সৌন্দর্য ধীরে ধীরে কমে আসছে। সকলেরই এখন চুল ঝরে পড়া কিংবা টাকের সমস্যা। এর পাশাপাশি কমে গিয়েছে চুল বাড়ার প্রক্রিয়াটিও। সহজে চুল লম্বাই হতে চায় না। এই সমস্যা সমাধান করবে ঘরোয়া কিছু প্রাকৃতিক উপায়। খুব সহজে আপনিও এই উপায়গুলো খাটিয়ে চুলের বেড়ে ওঠাকে নিশ্চিত করতে পারেন। নতুন চুল গজিয়ে চুল হবে ঘন, কালো, লম্বা।

পেঁয়াজের ব্যবহার সেই প্রাচীন কাল থেকে চুল বৃদ্ধির কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে পেঁয়াজ। পেঁয়াজের রসে রয়েছে সালফার যা চুলের কোলাজেন টিস্যুর বৃদ্ধি উন্নত করে এবং চুল বাড়তে সাহায্য করে দ্রুত।

লাল পেঁয়াজ ছোট ছোট করে কেটে নিয়ে একটি পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে রেখে চিপে রস বের করে নিন। এই পেঁয়াজের রস পুরো মাথার ত্বকে ভালো করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর মৃদু কোনো সাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করুন এই পেঁয়াজের রস।

ডিমের হেয়ার মাস্ক ডিমের উচ্চ মাত্রার প্রোটিন চুলের ফলিকলে পুষ্টি প্রদান করে এবং চুল দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। এই মাস্কের সালফার, জিংক, আয়রন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস এবং আয়োডিন চুল দ্রুত বৃদ্ধি করে।

১ টি ডিমের সাদা অংশ নিন। এতে ১ টেবিল চামচ মধু এবং ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। চুলে ভালো করে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।

আলুর রসের ব্যবহার চুলের বৃদ্ধির কাজে আলুর রসের ব্যবহার অনেকেই জানেন না। কিন্তু আলুর ভিটামিন এ, বই এবং সি চুলের দ্রুত বৃদ্ধিতে বেশ সহায়ক।

আলু একেবারে ঝুড়ি করে নিয়ে খুব দ্রুত এর রস বের করে নিন। এই রস সরাসরি মাথার ত্বকে ভালো করে ঘষে লাগান। ১৫ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাবেন।

মেহেদীর হেয়ার মাস্ক মেহেদী চুলের জন্য অনেক বেশি ভালো একটি উপাদান। চুল ঘন কালো ও লম্বা করতে মেহেদীপাতার তুলনা নেই।

১ কাপ পরিমান শুকনো গুড়ো মেহেদী অর্ধেক কাপ টকদই দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই মেহেদীর মিশ্রণ চুলের আগা থেকে গোঁড়া এবং মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত চুলে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্কটি সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহার করবেন।