News Ticker

Menu

Browsing "Older Posts"

Browsing Category "স্বাস্থ্য টিপস"

মুলতানি মাটির তিনটি সেরা প্যাক

/ No Comments
ত্বককে বার্ধক্যের ছাপ থেকে রক্ষা করতে এক চা চামচ মুলতানি মাটির সাথে এক চা চামচ টক দই এবং একটি ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এবার এটি সারা মুখে ভালো মত লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বক টানটান করে এবং স্কিন টোন সমান করতে সাহায্য করে।

* ব্রণের সমস্যা যদি খুব বেশি হয়ে থাকে তাহলে কিছু নিম পাতা বেটে মুলতানি মাটির সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। ১০-১৫ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের সমস্যা কমে যাবে।

* অনেকেরই একটা কমন সমস্যা হল যে হাত পায়ের রঙ মুখের রঙ থেকে কালো হয়। এই সমস্যা সমাধানে পরিমাণ মত মুলতানি মাটি, বেসন এবং কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন।

এবার এই মিশ্রণটি হাত পায়ে ভালো মত লাগিয়ে ২০-৩০ মিনিট বা শুকানো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এবং এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন গোসলের আগে এটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি হাত পায়ের ত্বক উজ্জ্বল এবং নরম করে।

মধু – লেবু ফেসপ্যাক

/ No Comments
ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ও মসৃনতা আনার জন্য মধু এবং লেবু দ্বারা তৈরী ফেসপ্যাক ব্যাবহার করতে পারেন।

উপাদানঃমধু এবং লেবুর রস ।

প্রণালীঃ

প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে পুরো মুখমন্ডল ভালো ভাবে পরিষ্কার করে নিন। এরপর সতেজ লেবুর রস এবং আধা চামচ ফ্রেশ মধু (আপনি ইচ্ছে করলে ভালো কোনো ব্রান্ডের অন্য মধুও ব্যবহার করতে পারেন) ভালোভাবে মিশিয়ে মিশ্রনটি মুখে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। ঠান্ডা পানি দিয়ে আলতো করে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। এবার আপনি নিজেই লক্ষ্য করে দেখুন আপনার মুখমন্ডলের উজ্জ্বল দ্যুতিময়তা।

লেবুর রস আপনার ত্বকের মৃত কোষ গুলোকে সরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে, সেই সাথে আপনার ত্বকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি এর যোগান দেয়। মধু এবং লেবু আপনার ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখে এবং ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। এই মিশ্রণটি আপনার মুখের মেছতা ও অবাঞ্ছিত দাগও দুর করতে সহায়তা করবে। তবে এ্যালার্জি জনিত সমস্যা থাকলে এই প্যাকটি ব্যাবহার না করাই ভালো।

শীতে শিশুর যত্ন

/ No Comments
শিশুদের ত্বক খুবই স্পর্শকাতর হওয়াতে শীতকালে শিশুদের নরম ত্বক জলীয়বাষ্প হারিয়ে ফেলে শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে ওঠে তার সাথে দেখা দেয় নানাবিধ সমস্যা।

তাইতো আমাদের ছোট্ট সোনামনিদের শীতের শুষ্ক ও রুক্ষ পরিবেশে ত্বকের জন্য চাই বিশেষ যত্ন। এই শুষ্ক মৌসুমে শিশুর বাবা মাকে থাকতে হবে বিশেষ সতর্ক আর মূল কথা হলো শীতে শিশুর ত্বকের যত্ন নিতে বাড়তি প্রস্ততির কোন বিকল্প নেই। শীতে শিশুর ত্বকের কোমলতা ও ময়েশ্চারাইজার এর ভারসাম্য ঠিক রাখা আসলেই একটি বড় চ্যালেঞ্জ। মনে রাখবেন শিশুর ত্বক যেমন বড়দের ত্বক থেকে ভিন্ন ঠিক তেমনি শিশুর ত্বকের যত্ন নেয়ার পদ্ধতিও ভিন্ন। আসুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে তে শিশুর ত্বকের যত্ন নিয়ে শুষ্কতা, রুক্ষতা ও চর্ম রোগের হাত থেকে রক্ষা করা যায়।

আসলে শীতে শিশুর ত্বকের যত্ন তার দৈনন্দিন পরিচর্যার বিষয় গুলোর মধ্যেই একটু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করে সেরে ফেলা সম্ভব। আর এটা বাস্তবায়ন করতে পারলে শিশুর ত্বক থাকবে কোমল এবং আপনি থাকবেন নিশ্চিন্ত। আশাকরি নিচের বিষয় গুলো পড়ে আপনি পেয়ে যেতে পারেন শীতে শিশুর ত্বকের সমস্যার সমাধান।

শীতে শিশুর গোসল শীতকালে শিশুকে গোসল করাতে হবে হালকা গরম পানি দিয়ে কেননা ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করালে যেমন ঠান্ডা লেগে যাবার ভয় থাকে পাশাপাশি বেশি গরম পানি দিয়ে গোসল করালেও ত্বকের আর্দ্রতা হারিয়ে যায়। সুতরাং শিশুর ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে ও ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা করতে গোসলে ব্যবহার করুন কুসুম গরম পানি। তবে শীতকালে ২ বছরের কম বয়সি শিশুকে প্রতিদিন গোসল করানোর প্রয়োজন নেই। এক্ষেত্রে এক দিন পর পর গোসল করালেই শিশুর ত্বক ভালো থাকবে।

শিশুর ত্বকোপযোগী সাবান শিশুর গায়ে সাবান ব্যবহারে অনেক সতর্ক থাকুন কারন শিশুদের ত্বক বড়দের তুলনায় ৫ গুণ পাতলা। আর সাবান দিয়ে গোসল করালে সাবান যেন ময়েশ্চারসমৃদ্ধ ও শিশুর ত্বকের উপযোগী হয়। যে সাবানের পিএইচ মাত্রা শিশুর ত্বকের পিএইচ মাত্রার সমান, সে রকম সাবান শিশুর ত্বকের জন্য উপযোগী। সেই সাথে তার শরীর পরিস্কারে অবশ্যই বেবি সোপ ব্যবহার করুন এবং কিছুতেই বড়দের সাবান লাগানো যাবেনা কারন বড়দের সাবানের উপাদান তার ত্বক আরো বেশি শুষ্ক করে ফেলে ও শিশুর ত্বকে র‍্যাশ, অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে।

শিশুর ত্বক উপযোগী তেলের ব্যবহার শিশুদের দেহে তেলের ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। সব ধরনের তেল শিশুদের জন্য উপযোগী নয়। বাচ্চাদের মাথার ত্বকে এক্সট্রা ভার্জিন গ্রেড নারকেল তেল অল্প পরিমাণে ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া শিশুকে নিয়মিত অলিভ অয়েল দিয়ে মাসাজ করতে পারেন। শিতকালে শিশুর ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। এক্ষেত্রে অনেক কার্যকরী উপাদান হোয়াইট সফট প্যারাফিন বা ফসপোলিপিড সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার শিশুর ত্বকের জন্য উপকারী। শিশুকে অলিভ অয়েল বাথও দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে এক বালতি পানিতে পাঁচ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। এতেও শিশুর ত্বক নরম হবে। এ ছাড়া গোসলের পরও ভেজা ত্বকে অলিভ অয়েলের সঙ্গে সামান্য পানি মিশিয়ে শিশুর শরীরে ম্যাসাজ করে লাগান। ভালো ময়েশ্চারাইজারের কাজ করবে। সবচেয়ে ভালো হয়, যদি লিনোলেইক অ্যাসিড-সমৃদ্ধ তেল ব্যবহার করা যায়। এটি একধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ত্বকের সুরক্ষা দেয়। সূর্যমুখী তেলে এটি বেশি থাকে। যাদের একজিমা আছে, তাদের অলিভ অয়েল ব্যবহার না করাই ভালো।

লক্ষণীয় ত্বকের রোগ সাধারনত এক বছরেরও কম বয়সি শিশুদের ইনফ্যানটাইল সেবোরিক ডার্মাটাইটিস নামের এক ধরনের ত্বকের রোগ হয়ে থাকে। এসময় শিশুদের মাথায় অনেক খুশকি হয় সেই সাথে গলায়, বগলে, থাইয়ের খাঁজে, ন্যাপি এরিয়ায় লাল লাল দাগ ও হতে পারে। অনেক সময় চামড়া উঠতে শুরু করে ও মাঝেমধ্যে রস বের হয়। এ সমস্যা দূর করতে শিশুর মাথায় ও চুলে নিয়মিত নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল লাগান। নবজাতকের মাথায় দুই থেকে তিন মাস তেল বা অলিভ অয়েল লাগালে এর নিরাময় হয়। আর ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে কিটোকোনিজল বা জিঙ্ক পাইরেথিওনসমৃদ্ধ শ্যাম্পু দিয়ে সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার শিশুর চুল পরিষ্কার করুন। শীতে শিশুর পোশাক

শিশুর কাপড়চোপড় সাবান দিয়ে ধোয়ার পর পরিষ্কার পানিতে বারবার চুবিয়ে সম্পূর্ণ সাবানমুক্ত করে শুকানো উচিত। কারণ, সাবানের ক্ষারযুক্ত শুকনো কড়কড়ে কাপড় শিশুর নরম ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। সেইসাথে শিশুর পরিধেয় পোশাক অবশ্যই নরম ও মসৃণ হতে হবে। শিশুর পোশাক খসখসে ও অমসৃণ হওয়া উচিত নয় বরং সুতির হওয়াই বাঞ্ছনীয়। কারণ, ত্বকের জন্য সুতির কাপড়ই সবচেয়ে নিরাপদ। শীতকালে গরম কাপড়ের নিচে অবশ্যই একটি সুতি জামা পরাবেন।শীতের পোশাকের নিচে হালকা সুতির পোশাক পরানো হলে শিশু স্বস্তি পাবে।

বর্জনীয় বিষয় শিশুর শরীরের সরিষার তেল মাখাবেন না, সরিষার তেল শিশুর ত্বকের জন্য উপযোগী নয়। কারণ এই তেল মাখলে ত্বক চিটচিটে হয়ে যায়। ফলে ধুলাবালি সহজে ত্বকে আটকে যায়। আবার ঘন বলে এই তেল লোমকূপ বন্ধ করে দিয়ে সংক্রমণও ঘটাতে পারে। সরিষার তেল থেকে ফুসকুড়ি বা প্রদাহ হতে পারে। সরিষার তেল মাখিয়ে বাচ্চাকে রোদে রাখার যে প্রচলিত রীতি আছে তা একেবারেই অনুচিত। এতে ত্বকের পিগমেন্টেশন বেড়ে যায় এবং শিশু কালো হয়ে যায়। শিশুদের আদৌ তেল মাখার প্রয়োজন আছে কি না, এ নিয়েও বিশেষজ্ঞদের মাঝে মতের ভিন্নতা আছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, খুব ছোট শিশুদের, অর্থাৎ নবজাতকদের শরীরে তেল মাখালে তা লাভের চেয়ে ক্ষতিই করে বেশি। গবেষকেরা দেখিয়েছেন যে গায়ে তেল মাখেনি এমন বাচ্চাদের ত্বক বেশি মজবুত। আসলে আমাদের ত্বকের ওপরের পাতলা আবরণের নিচেই চর্বি বা ফ্যাটের স্তর থাকে। তেল মাখলে এই চর্বির স্তর পাতলা হয়, অর্থাৎ সুগঠিত হয় না। এর ফলে শিশুর শরীর সহজে শীতল হয়ে পড়তে পারে। এ ছাড়া ত্বকে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। একটু বড় বাচ্চাদের অবশ্য তেল মাখা যাবে।

পুরুষদের ত্বকের যত্নে সাবধানতা

/ No Comments
নিয়ম মেনে ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক জিনিসগুলো এড়িয়ে চললে ত্বক সুস্থ রাখা যায়।মেয়েদের মত পুরুষদের ত্বকের ও যত্ন নেয়া

রোদ : আল্ট্রাভায়োলেট ত্বকের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। এ জন্য রোদে বের হওয়ার অন্তত ২০-৩০ মিনিট আগে আপনার ত্বকের জন্য মানানসই সানস্ক্রিনের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। রোদে পোড়া ভাব দূর করতে এটি সহায়ক, ত্বক ক্যান্সারও রোধ করে।

সুইমিংপুল : এ পানিতে ক্লোরিন থাকে, যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক। সুইমিং পুলের পানি ব্যবহার করে বাড়িতে এসে ত্বক ও চুল সাবান এবং শ্যাম্পু দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত।

মানসিক চাপ : স্ট্রেস, বিষণ্ণতা, অপর্যাপ্ত ঘুম ত্বকের জন্য ক্ষতিকারক। প্রয়োজনে মেডিটেশন, ইয়োগার সাহায্য নিন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সব চাপ ভুলে হালকা হয়ে ঘুমাতে যান।

ধুলো-ধোঁয়া : যানবাহনের ধোঁয়া দূষণ ও ধুলা থেকে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে। ঘরে ফিরে চিকিৎসকের পরামর্শে ক্লিনজার ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন।

ধূমপান : এটি শুধু শরীরের অভ্যন্তরে নয়, ত্বকেরও ক্ষতি করে।

সাবান : আপনার ত্বকের ধরন বুঝে ডাক্তারের পরামর্শে সাবান ব্যবহার করুন।

যে কারণে প্রতিদিন সকালে এক কোয়া কাঁচা রসুন খাবেন

/ No Comments
প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ঠাসা রসুনের অনেক কার্যকরী দিক রয়েছে। খালি পেটে এটি খেলে এর রস সহজে শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে পারে বেশি। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মেটাবলিক রেটও একটু বেশি থাকে। তাই খালিপেটে এটি খেলে উপকার মেলে।

ক্রনিক ঠান্ডা লাগার অসুখ যাদের, খালিপেটে এককোয়া রসুন তাদের জন্য খুব উপকারী। একটানা দু’সপ্তাহ সকালে রসুন খেলে ঠান্ডা লাগার প্রবণতা অনেকটা কমে।

কিছু ভাইরাস ও সংক্রমণজনিত অসুখ- যেমন ব্রংকাইটিস, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, হুপিং কাফ ইত্যাদি প্রতিরোধে রসুনের ভূমিকা অনেক। স্নায়বিক চাপ কমিয়ে মানসিক চাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতেও সক্ষম এই রসুন।

যকৃত ও মূত্রাশয়কে নিজের কাজ করতে সাহায্য করে রসুন। এছাড়া পেটের নানা গোলমাল ঠেকাতে, হজমের সমস্যা মেটাতেও রসুন বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

শীতে কোন ত্বকে কেমন যত্ন

/ No Comments
শীতে বাতাসের আর্দ্রতা কমতে শুরু করার সাথে সাথেই শুষ্ক ত্বক আরও শুষ্ক হতে শুরু করে। আবহাওয়াতে যেহেতু স্বাভাবিক আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকে সেহেতু ত্বকের ময়েশ্চার ক্রমাগত কমতে থাকে, দিনে দিনে ত্বক রুক্ষ ও মলিন বয়ে পড়ে। আর কুয়াশা আর ঠাণ্ডা বাতাস ইতোমধ্যেই জানান দিয়েছে সেই শীতের আগমনী বার্তা। ঋতু পরিবর্তনে তাই শুরু হয়েছে ত্বকের নানা সমস্যা। এ সময় ত্বক রুক্ষ ও অনুজ্জ্বল হয়ে যাওয়ায় দরকার একটু বাড়তি যত্নের। নিয়মিত যত্নে শীতেও ত্বক হয়ে উঠবে মসৃণ এবং স্বাস্থ্যজ্জ্বল।

জেনে নিন শীতে কোন ধরনের ত্বকে কেমন যত্ন নিবেন :
তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন : যাদের ত্বক খুব তৈলাক্ত তারা ক্লিনজিং ও ময়েশ্চারাইজিংয়ের ক্ষেত্রে অয়েল ফ্রি প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন। ঘরোয়া ময়েশ্চারাইজার হিসেবে এক্ষেত্রে টমাটোর রস খুব কার্যকর। ক্লিনজিং ও টোনিংয়ের পর লেটুস পাতার রস, মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে লাগাতে পারেন। আনারস, আপেল, পাকা পেঁপের সঙ্গে মধু মিশিয়ে প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।

 শুষ্ক ত্বকের যত্ন : শুষ্ক ত্বকের প্রধান কাজ হল ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখা। ভিটামিন-ই অয়েল ১/২ চামচ, ১/২ চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে প্রতিদিন লাগাতে পারেন। ত্বকে পুষ্টি জোগাতে ডিমের কুসুম, ১ চা-চামচ মধু, আধা চামচ অলিভ অয়েল ও গোলাপজল মিশিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে ১৫ মি. রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করতে পারেন। 

মিশ্র ত্বকের যত্ন : প্রতিদিন হালকা ক্লিনজার ব্যবহার করতে পারেন। তবে ত্বকের শুষ্ক জায়গাগুলো অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন। সিদ্ধ করা মিষ্টি কুমড়ো চটকে তার সঙ্গে মধু ও দুধ পরিমাণ মতো মিশিয়ে ২০ মি. রেখে তারপর ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। এ প্যাকটি সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

এছাড়া ত্বকের যত্নে নিম্নোক্ত কাজগুলো করতে পারেন :

নিয়মিত ত্বকে ময়েশ্চারাইজ করুন : শীতে ত্বকের যত্নের শুরুতে একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। বাজার থেকে বাদাম তেল বা এভাকাডো সম্মৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার কিনুন। এগুলো ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। প্রতিদিন অন্তত দুবার অথবা যতবার ত্বক শুষ্ক মনে হবে ততবার ব্যবহার করুন।

সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার : শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার ৩০ ‍মিনিট আগে এসপিএফ ১৫-৩০ সম্পন্ন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

আর্দ্রতা বজায় রাখুন : শীতকালে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে মাঝে মাঝে মুখে পানির ঝাপটা দিন। তাহলে সহজে ত্বক শুষ্ক হবে না।

অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার করবেন না : গোসলের সময় আরাম অনুভব হলেও অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে মুখ, মাথা ধোয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, অতিরিক্ত গরম পানি ত্বকের কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর ফলে ত্বকের আর্দ্রতা নষ্ট হয়। গোসলের সময় পানিতে কয়েক ফোটা জোজোবা বা বাদাম তেল দিয়ে নিলে তা ত্বককে আর্দ্র এবং মসৃণ করতে সহায়তা করে।

ভেজা ত্বকে পরিচর্যা করুন : গোসলের পর এবং প্রতিবার মুখ ধোয়ার পর ভেজা ‍অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার বা লোশন ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

ঠোঁটের পরিচর্যা : কখনোই ‍জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো উচিৎ নয়। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মধুর সাথে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট কখনোই ফেটে যাবে না।

চুলের যত্ন : শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে মাথার ত্বকেও এর প্রভাব পড়ে। এজন্য সপ্তাহে অন্তত একদিন প্রোটিন প্যাক ব্যবহার করতে হবে। আমলকীগুঁড়া, হরীতকীগুঁড়া, বহেরাগুঁড়া, মেথিগুঁড়া, ব্রাহ্মিগুঁড়া, হেনাগুঁড়া, ডিমের সাদা অংশ, টক দই, পানি একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে আধা ঘণ্টা মেখে পরে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলের উজ্জ্বলতা বাড়বে এবং খুশকি দূর হবে।

হ্যাট পরুন : চুল এবং মাথার তালুর আর্দ্রতা ধরে রাখতে হ্যাট পরুন। তবে হ্যাটটি যাতে বেশি টাইট না হয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন।

হাত ও পায়ের যত্ন : হাত এবং পায়ের আর্দ্রতা ধরে রাখতে যতবার প্রয়োজন ততবার লোশন বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

রূপচর্চার পাশাপাশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত খাবারের প্রতিও। সবুজ শাক-সবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস করুন। এছাড়া শরীরের ভেতরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে প্রচুর পানি পান করুন।

শীতে পায়ের পাতা ও গোড়ালি ফাটা সারতে ৩টি ঘরোয়া সমাধান

/ No Comments
শীতকাল এলেই সর্দি-কাশির সমস্যার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। এই সময় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করলে ত্বক ফাটতে পারে। একই কারণে পায়ের গোড়ালি বা পায়ের তলাও ফেটে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। ফাটা পায়ের তলা বা গোড়ালি নিয়ে হাঁটা চলা করাটাও বেশ কষ্টকর। ফাটা গোড়ালি নিয়ে রাস্তাঘাটে হাঁটা চলা করতে গিয়ে ত্বকের ফাটা অংশে ধুলা লেগে পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হয়ে ওঠে।

এ জন্য বাজারে নানা রকমের ক্রিম পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলোতে ব্যবহৃত রাসায়নিকের জন্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার একটা আশঙ্কা থেকেই যায়। কয়েকটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ঘরোয়া পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে পায়ের ফাটা গোড়ালির সমস্যা থেকে সহজেই রেহাই পাওয়া যেতে পারে। আসুন সেগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১. নারকেল ও কলার ফুট মাস্ক: পা ফাটার সমস্যা মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেলে এই ফুট মাস্কটি ব্যাবহার করার চেষ্টা করুন। সমস্যার সমাধান হবে খুব দ্রুত। উপকরণ: টুকরো করে কাটা কলা, লম্বা করে কাটা ৩-৪ টুকরো নারকেল।

পদ্ধতি: একটি কলা টুকরো করে নিয়ে এর সঙ্গে টাটকা ৩-৪ টুকরো নারকেল একসঙ্গে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন বা ভাল করে বেটে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি পায়ের ফাটা জায়গায় ভাল করে লাগিয়ে নিন। প্যাক শুকিয়ে গেলে সামান্য উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। যদি হাতের কাছে তাজা নারকেল নাও পান তবে একটি কলা চটকে নিয়ে তাতে ২-৩ চামচ নারকেল তেল দিয়ে মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করেও লাগাতে পারেন। উপকার পাবেন।

পিঠের মেদ দ্রুত কমানোর উপায়!

/ No Comments
পিঠের মেদ নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়েন? সারা শরীরের মেদ কমলেও অনেক সময় পিঠ বা কোমরের মেদ সহজে কমতে চায় না। তবে কিছু ব্যায়াম রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত করলে এ মেদ কমতে অনেকটাই সহজ হয়।

পুশআপ ১. নিজেকে পুশআপ অবস্থায় রাখুন।

২. হাতকে মাটিতে এমনভাবে রাখুন যেন কাঁধ উঁচুতে থাকে।

৩. এবার ধীরে ধীরে মেঝের দিকে ঝুঁকে পড়ুন এবং বুক মাটির সঙ্গে লাগান। আবার উঠে যান।

৪. এভাবে সকালে ১০ বার এ ব্যায়াম করুন।

সুপারম্যান ১. মেঝেতে এমনভাবে শুয়ে পড়ুন যেন পেট ও বুক নিচে লেগে থাকে।

২. এবার হাত ও পা সোজা করুন।

৩. এবার ধীরে ধীরে হাত ও পা ওপরের দিকে তুলুন। তবে পেট মেঝের দিকে লাগানো থাকবে। তিন থেকে পাঁচ সেকেন্ড এ অবস্থায় থাকুন।

৪. আবার নিচে নেমে যান। এভাবে প্রতিদিন ১২ থেকে ২০ বার করুন ।

কার্ডিও মেদ ঝড়াতে কার্ডিও এক্সারসাইজ বেশ উপকারী। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন ৩০ থেকে ৬০ মিনিট এ ব্যায়াম করুন। দ্রুত হাঁটা, সাঁতার কাটা, দড়ি লাফ, জগিং, বক্সিং এমনকি নাচাও কার্ডিও ব্যায়ামের মধ্যে পড়ে। তাই পিঠের মেদ কমাতে এ ব্যায়ামগুলোও করতে পারেন।

স্তন ক্যানসার রোধে যা খাবেন

/ No Comments
বিশ্বজুড়ে নারীর স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার হার দিন দিন বাড়ছে। গবেষকেরা বলছেন, জীবনাচরণ পাল্টে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়। এর মধ্যে খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টিও রয়েছে।

যাঁদের ওজন বেশি, স্থূলতায় ভুগছেন, তাঁদের স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সচেষ্ট হতে হবে।

প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার খেলে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে। আঁশজাতীয় খাবার পরিপাক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে, বর্জ্য নিঃসরণ ও কোষ্ঠ পরিষ্কারে ভূমিকা রাখে।

তাজা ফলমূল ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। বেরি–জাতীয় ফল যেমন, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি ও ব্ল্যাক রাস্পবেরি বিশেষ উপকারী। ডালিমে আছে এলাইডিক অ্যাসিড, যা উচ্চমানের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট। হলুদ, সবুজ ও কমলা রঙের শাকসবজি ও ফলে আছে ফাইটোকেমিক্যাল ক্যারোটিনয়েডস। এ ধরনের শাকসবজি ও ফলের মধ্যে রয়েছে গাজর, মিষ্টিকুমড়া, মিষ্টি আলু, পালংশাক ইত্যাদি। এগুলো বেশি করে খান। ক্রুসিফেরাস সবজি যেমন ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদিতে প্রচুর অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে। এ ছাড়া এসব সবজিতে গ্লুকোসিনোলেট নামের যৌগও থাকে। এগুলো ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক।

গোটা শস্যদানা, যেমন লাল চাল, ওটস, বার্লি বা কর্নে আছে প্রচুর আঁশ ও ম্যাগনেসিয়াম। এগুলোও ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

গবেষণায় ভিটামিন ডি–এর অভাবের সঙ্গে স্তন ক্যানসারের একটি সম্পর্ক থাকতে পারে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। এ ছাড়া ডিমের কুসুম, হেরিং মাছ, সার্ডিন মাছ, স্যামন, ভিটামিন ডি ফরটিফায়েড কমলার রস, টক দইয়ে এই ভিটামিন থাকে।

সয়াবিন ও সয়া পণ্য, যেমন টফু, সয়া বাদাম, সয়া দুধ ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। দৈনিক ২ থেকে ৩ কাপ গ্রিন–টি পান করা ভালো। এ ছাড়া তিসিতে ওমেগা–৩, লিগন্যান্স ও আঁশ আছে। তিসির বীজ, তিসির তেল ক্যানসার প্রতিরোধে বিশেষ উপকারী।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে চল্লিশের আগেই ওজন নিয়ন্ত্রণ

/ No Comments
নরওয়ের ‘ইউনিভার্সিটি অফ বার্গেন’য়ের গবেষকদের করা এক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, বয়স চল্লিশের আগে ওজন নিয়ন্ত্রণে না রাখলে পরে স্থূলতা-সম্পর্কিত ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক টোন বিজোর্গ বলেন, “বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার হওয়ার পেছনে স্থূলতার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত। এই পর্যবেক্ষণের কারণ হল অতিরিক্ত ওজন এবং স্থূলতার মাত্রা, সময় এবং স্থিতিকালের সঙ্গে ক্যান্সারের ঝুঁকি নির্ণয় করা।”

‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ এপিডেমিওলজি’তে প্রকাশিত এই গবেষণার জন্য গবেষকরা প্রাপ্তবয়স্কদের অতিরিক্ত ওজন (বিএমআই ২৫ এর ওপর) এবং স্থূলতা (বিএমআই ৩০ এর ওপর) কীভাবে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে তা নির্ণয়ের চেষ্টা করেন।

গবেষকরা এর জন্য ‘মি-ক্যান’ পর্যবেক্ষণের ফলাফল থেকে ২ লাখ ২০ হাজার মানুষের তথ্য পর্যালোচনা করেন। যারা ছিলেন নরওয়ে, সুইডেন এবং অস্ট্রিয়ার অধিবাসী।

এর সঙ্গে যুক্ত করা হয় সেসব দেশের ক্যান্সারে আক্রান্ত নিবন্ধিতদের উচ্চতা এবং ওজন সম্পর্কিত তথ্য।

গবেষকরা দেখতে পান, পুনঃপর্যবেক্ষণের সময় ২৭ হাজার ৮৮১ জনকে ক্যান্সারে আক্রান্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে, তাদের মধ্যে ৯ হাজার ৭৬১ জন (৩৫ শতাংশ) স্থূলকায়।

এই গবেষণায় দেখা যায়, যদি বয়স চল্লিশের আগেই অতিরিক্ত ওজন থাকে তবে বিভিন্ন ধরনের স্থূলতা-ভিত্তিক ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এরমধ্যে ৭০ শতাংশ এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার, ৫৮ শতাংশ পুরুষের রেনাল-সেল ক্যান্সার, ২৯ শতাংশ কোলন ক্যান্সার এবং ১৫ শতাংশ স্থূলতা সম্পর্কিত অন্যান্য ক্যান্সার নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ওজন স্বাভাবিকদের তুলনায় যাদের ওজন বেশি (বিএমআই ৩০ এর ওপর) তাদের ক্ষেত্রে প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষায় দেখা গেছে স্থূলতা সম্পর্কিত ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

বিজোর্গ বলেন, “অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে পুরুষদের ক্ষেত্রে ৬৪ শতাংশ এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৪৮ শতাংশ।”

শীতে ঠোঁটের যত্ন

/ No Comments
শীতের সময়ই ঠোঁটের যত্ন নেওয়াটা একটু বেশিই দরকার, কেননা শীতের আর্দ্রতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঠোঁট। এই সময় ঠোঁট ফাটা থেকে শুরু করে ঠোঁটের নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। তাই আসছে শীতে আপনার ঠোঁটে চাই বাড়তি যত্ন। ঠোঁটের বাড়তি যত্নের কথা জানাচ্ছেন নওশীন শর্মিলী।

শীত আসতে আর বেশি দেরি নেই। এখনই বইতে শুরু করেছে হিমেল হাওয়া। চারপাশে চলছে শীতকে বরণ করে নেওয়ার প্রস্তুতি। তবে এত আয়োজনের মধ্যেও একটা ভয় সবার মনে থেকেই যায়, আর তা হলো শীতে ঠোঁট ফাটার ভয়। ঠোঁট ফাটলে কষ্ট তো হয়; দেখতেও খুব বাজে লাগে। এ ছাড়া ফাটা ঠোঁটে লিপস্টিক দিলে সেটা আরও বাজে দেখায়। তাই এখন থেকেই ঠোঁটের যত্ন নিতে হবে, যাতে প্রচণ্ড শীতে আপনার ঠোঁট থাকে সুস্থ। ঠোঁট ফাটার অন্যতম কারণ হলো রুক্ষতা। তাই যেভাবেই হোক ঠোঁটের রুক্ষতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এজন্য সবসময় ক্রিম বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করুন। রাতে শুতে যাওয়ার আগেও ঠোঁটের পরিচর্যা করতে হবে। এ সময় পুরু করে ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন। তারপর সকালে ঘুম থেকে উঠে ভেজা নরম কাপড় দিয়ে আলতো করে মুছে ফেলুন। এতে ঠোঁটের মরা চামড়াও উঠে যাবে। ঠোঁট হয়ে উঠবে আরও বেশি সতেজ এবং কোমল।

লিপস্টিকের ব্যবহার

বাইরে বের হওয়ার আগে বেশিরভাগ মেয়েই লিপস্টিক লাগিয়ে থাকেন। তবে ঠোঁট ফাটা থাকলে বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয়। তাই বলে এর যে কোনো সমাধান নেই, তা কিন্তু নয়। লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁটে ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন। এতে ঠোঁট তো সুরক্ষিত থাকবেই; লিপস্টিকও থাকবে অনেকক্ষণ। যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তারা পাউডার ব্যবহার করবেন। একবার লিপস্টিক লাগিয়ে একটু পাউডার লাগাতে হবে। এরপর আরেকবার একটু লিপস্টিক লাগাতে হবে। এতে লিপস্টিক অনেকক্ষণ স্থায়ী হবে। তাপমাত্রা স্বাভাবিক এমন জায়গায় যারা কাজ করেন, তারা ঠোঁটে ভ্যাসলিন লাগানোর পর ভেজা কাপড় দিয়ে ঠোঁট মুছে ফেলবেন। তারপর লিপস্টিক লাগাবেন। তাহলে লিপস্টিক অনেকক্ষণ ধরে থাকবে। যারা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত জায়গায় কাজ করেন, তাদের ক্ষেত্রেও ভ্যাসলিনটা জরুরি।

রঙ নির্বাচন

চকচকে রঙের লিপস্টিক সবসময়ই সবার পছন্দের। আপনার যদি ততটা পছন্দের নাও হয় তবু এই মৌসুমে চকচকে রঙের লিপস্টিকই বেছে নিন। কারণ, চকচকে রঙের লিপস্টিক আপনার ঠোঁটকে উজ্জ্বল তো রাখবেই; এমনকি ঠোঁটের ফাটাজনিত কোনো সমস্যা থাকলে সেটিও ঢেকে রাখবে। বাজারে বিভিন্ন রঙের লিপস্টিক পাওয়া যায়। একদিন সময় করে গিয়ে বেশ কয়েকটা নিয়ে আসুন। যাতে ম্যাচ করে ব্যবহার করতে পারেন। লিপস্টিক কেনার সময় সেটি ভালো ব্র্যান্ডের কি না খেয়াল করুন। কারণ, নন ব্র্যান্ডের লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁটের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে।

শীতে ছেলেরা ত্বকের যত্ন নিবেন যেভাবে

/ No Comments
শীত প্রায় আসি আসি অবস্থায়। এই সময় বাইরে ধূলাবালির পরিমাণ একটু বেশিই থাকে। তাই গায়ে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে ময়লা জমা পড়ে। তাছাড়া শীতকালে ত্বক শুষ্ক থাকে। তাই এ সময় শরীরের বিশেষ যত্ন নেয়াটা জরুরি। তা না হলে অন্যের কাছে নিজে নোংরা হিসেবে পরিগণিত তো হবেনই, সেইসঙ্গে নিজেও অস্বস্তি অনুভব করবেন। তাই শীতকালে কিভাবে শরীরের যত্ন নিলে সুস্থ সবল থাকবেন তা নিয়ে অাজ আলোচনা করা হলো :

১. গোসলে গরম পানি ব্যবহারের নিতান্তই প্রয়োজন হলে খুব বেশি গরম পানি ব্যবহার করবেন। কুসুম গরম পানিতে গোসল সেরে নিন। ২. শুষ্কতা থেকে রক্ষা পেতে যে ধরনের পণ্য-ই ব্যবহার করুন তা অবশ্যই অতিরিক্ত ময়েশ্চারাইজারযুক্ত হতে হবে। অার শেভিংয়ের পর ত্বকে ক্রিম লাগানো যেতে পারে। এতে করে ত্বক ফাটলের হাত থেকে রক্ষা পাবেন।

৩. রোদে চলাচলের সময় সতর্ক থাকতে হবে। প্রয়োজনে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন।

৪. গোসলের পর লোশন গায়ে মেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন যাতে করে তা ত্বকে ভালোভাবে মিশে যায়। ৫. যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাদের ব্রণের সমস্যা বেশি থাকে। তৈলাক্ত ত্বকে ধূলাবালি বেশি জমা পড়ে। তাই এ সময় ছেলেদের দিনে কমপক্ষে ২ বার অয়েল কন্ট্রোল ফেসওয়াশ (ত্বকের তেল নিয়ন্ত্রণে রাখে এমন) ব্যবহার করতে হবে। তাহলে ত্বক সুন্দর থাকবে।

৬. বাজারে ছেলেদের জন্য নানা ব্র্যান্ডের ক্রিম পাওয়া যায়। তবে ত্বকের জন্য যেটি মানানসই সেটিই ব্যবহার করতে হবে। ক্রিম ব্যবহারের আগে ত্বক ভালোমতো ধুয়ে নিতে হবে। আর রাতে শোয়ার আগে গায়ে অবশ্যই লোশন বা নিজের পছন্দসই পণ্য ব্যবহার করুরন।

৭. শীত আর গরম সবসময়ই ত্বকের জন্য পর্যাপ্ত পানি পানের কোনো বিকল্প নেই। অনেকে শীতে কম পানি পান করে থাকেন। তা একদমই করা যাবে না। বরং এখন আরো বেশি পরিমাণে পানি পান করতে হবে।

৮. জরুরি কোনো কাজ না থাকলে রাতে তাড়াতাড়ি শোয়ে পড়ার চেষ্টা করুন। এতে ত্বক ভালো থাকে।

৯. শীতকালে বেশি করে শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে ত্বকের সতেজতা বজায় থাকবে।

১০. ত্বকের জন্য ফল সবসময়ই উপকারি। তাই এখন সম্ভব হলে দিনে একটি করে হলেও ফল খান। তবে এখন যথাসম্ভব শুকনো খাবার গ্রহণ এড়িয়ে চলুন।

১১. শীতে ত্বকের সতেজতা ধরে রাখার জন্য দিনে অন্তত দু'বার ফেসিয়াল করুন। এতে ত্বকের ধূলাবালি দূর হয়ে এর সৌন্দর্য বাড়াবে।

শীতে চুল সুন্দর রাখার উপকারী ৪ খাবার

/ No Comments
শীত কড়া নাড়ছে দরজায়। চুলও রুক্ষ হতে শুরু করেছে। জানেন কি এই ঋতুতে কোন কোন খাবার আপনার চুলকে রাখবে সুন্দর? চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখবে জেনে নিন এমন চারটি খাবারের নাম।

পালং শাক

১) পালং শাকে রয়েছে প্রচুর আয়রন। যা চুলকে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে৷ ২) পালং শাক খেলে চুলে অক্সিজেন পৌঁছয় খুব তাড়াতাড়ি৷

ডিম

১) ভিটামিনে ভরপুর ডিম চুলের স্বাস্থের জন্য খুবই ভালো৷

২) খাওয়ার পাশাপাশি ডিম মাথাতে লাগাতেও পারেন। এতে চুলের গোড়া মজবুত হবে এবং চুল পড়া বন্ধ হবে৷

ক্যাপসিকাম

১) ক্যাপসিকামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি থাকে৷ যা চুলের ভালো স্বাস্থ্যের অন্যতম উপাদান।

২) ভিটামিন-সি এর ঘাটতি হলে চুল রুক্ষ হয়ে যায় ও চুল তাড়াতাড়ি পড়ে যায়৷

ডাল

১) যে কোন ধরনের ডাল আয়রন ও প্রেটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস৷

২) চুল ভাল রাখতে প্রতিদিন মেনুতে ডাল রাখুন।

পায়ের পেশিতে টান!

/ No Comments
রায়ই শোনা যায় খেলোয়াড়দের পায়ের পেশিতে টান লেগে ইনজুরি হয়েছে। এমনও হতে পারে এজন্য তাকে পুরো ম্যাচ বা সিরিজই মাঠের বাইরে থাকতে হয়। শুধু প্লেয়ারদের নয়, এসমস্যা হয় সাধারণ মানুষেরও।
ঘুমের মধ্যে পায়ের পেশিতে টান বা মাসলপুল হলে অসহ্য ব্যথা হতে পারে। এ সময় ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে নিতে পারেন “RICE থেরাপি”।

এই RICE মানে কিন্তু ভাত বা চাল না। “RICE থেরাপি” মানে হচ্ছে,
R- Rest, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন
I- Ice, বরফ দিয়ে সেঁক দিতে হবে
C- Compression, আক্রান্ত পেশিতে সহনীয় চাপ দিন
E- Elevation আক্রান্ত স্থানের নিচে বালিশ দিয়ে শরীরের তুলনায় কিছুটা ওপরে রাখতে হবে।
এভাবে ধাপগুলো মেনে চললে ব্যথায় কিছুটা আরাম পাওয়া যায়। একেই RICE থেরাপি বলে।
এছাড়াও নিয়মিত খাবারে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ কলা, মিষ্টি আলু ও প্রোটিনযুক্ত খাবার মাছ-মাংস-রাখুন।
পানির ঘাটতির জন্যই মাসলপুল হয়।  সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন।

মাসলপুল হলে আক্রান্ত স্থান একেবারেই নাড়াচাড়া করতে না পারলে, সময় নষ্ট না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডেঙ্গু থেকে সেরে উঠতে যেভাবে খাবেন পেঁপে পাতার রস

/ No Comments

রাজধানী ঢাকা সারাদেশে আশঙ্কাজনকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে ডেঙ্গু রোগ। প্রতিদিন বেড়েই চলেছে এই রোগে আক্রান্ত্রের সংখ্যা। এরই মধ্যে এই রোগে আক্রান্ত্র মারাও গেছেন বেশ কয়েকজন। ফলে ডেঙ্গু আতঙ্ক এখন সবার মধ্যেই।
 
তবে এই রোগকে মোকাবেলা করতে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকতে হবে। বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি সবসময় মশারি টানিয়ে ঘুমাতে হবে। এছাড়া ঘর থেকে মশা তাড়ানোর জন্য কয়েল, অ্যারোসল বা অন্য যেকোনও পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে। 

এরপরও যদি কেউ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন তাহলে উদ্বিগ্ন না হয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এসময় স্বাভাবিক খাবারের সঙ্গে পানি, খাওয়ার স্যালাইন, স্যুপ, দুধ, তাজা ফলের রস বেশি বেশি পান করতে হবে। 

ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হতে খুবই কার্যকর হতে পারে পেঁপে পাতার রস। এতে আছে কাইমোপ্যাপিন ও প্যাপাইন, যা রক্তের প্লালিলেটের সংখ্যা বৃদ্ধি ও রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। ফলে ডেঙ্গুর সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বেড়ে যায়। 

একাধিক গবেষণায়ও এর প্রমাণ মিলেছে। 

যেভাবে রস তৈরি করবেন 
পেঁপের পাতার রস করতে প্রথমে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে, পরিষ্কার পাটা বা হামান্দিস্তায় থেঁতো করে নিন। এবার রস ছেকে নিয়ে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। 

যেভাবে খাবেন 
পেঁপে পাতার রস ডেঙ্গু রোগীকে প্রতিদিন তিন বেলা তিন কাপ পরিমাণ পান করতে দিন। রোগী ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবে। 

সূত্র: মেডিকেল এক্সপ্রেস, টাইমস অব ইন্ডিয়া, স্টার